সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

বহুভুজ, সুষম বহুভুজ এবং অনিয়মিত বহুভুজের ক্ষেত্রফল ও পরিসীমা নির্ণয়ঃ

  সুষম বহুভুজ এবং অনিয়মিত বহুভুজের ক্ষেত্রফল ও পরিসীমা নির্ণয়ঃ সুষম বহুভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ঃ অষ্টভুজের ক্ষেত্রফল যার কেন্দ্র হতে কৌণিক বিন্দুর দূরত্ব ৪ সে.মি. সমাধানঃ   কেন্দ্রে উৎপন্ন কোণ বের করে অন্তঃস্থ একটি ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল বের করে তার সাথে মোট ত্রিভুজ সংখ্যা যোগ করলেই ক্ষেত্রফল পাওয়া যাবে। সুষম বহুভুজের ক্ষেত্রফল= 8 *  ত্রিভুজ POQ অনিয়মিত বহুভুজের ক্ষেত্রফল ও পরিসীমা নির্ণয়ঃ সমাধানঃ          এ ধরনের চিত্রের ক্ষেত্রফল ও পরিসীমা নির্ণয় করতে সুবিধামত কিছু কৌণিকবিন্দু থেকে বিপরীত বাহুর উপর লম্ব আঁকতে হয়। যেমনঃ এর পর সহজেই বাহুর দৈর্ঘ্য নির্ণয় করা যায়। নমব শ্রেণির এসাইনমেন্ট ২ এর প্রশ্নঃ                                 সমাধান পেতে চাইলে ক্লিক

হাতে কলমে কাজের মাধ্যমে খাদ্য লবণ ও বালুর মিশ্রণ থেকে উপাদানসমূহ পৃথকীকরণ।

 ( একটি নমুণা মাত্র) পরীক্ষণঃ হাতে কলমে কাজের মাধ্যমে খাদ্য লবণ ও বালুর মিশ্রণ থেকে উপাদানসমূহ পৃথকীকরণ। তত্ত্বঃ বালু ও লবণ মিশ্রিত হয় না। তাই বালি ও লবণের সাথে পানি মিশ্রিত করে দ্রবণ তৈরি করতে হয়। যেহেতু বালি/বালু পানিতে দ্রবীভূত হয় না। তাই এ মিশ্রণ থেকে বালিকে আলাদা করতে পরিস্রাবণ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। খাদ্য লবণ সহজেই পানিতে দ্রবীভূত হয় । সুতরাং পরিস্রাবণের পর প্রাপ্ত দ্রবণ থেকে বাষ্পীভবন প্রক্রিয়ায় পানি থেকে লবণ পৃথক করা হয়।   প্রয়োজনীয় উপাদানঃ খাদ্য লবণ, বালু, পানি, ফানেল, ফিল্টার পেপার, কনিক্যাল ফ্লাস্ক, বিকার, ত্রিপদী স্ট্যান্ড, স্পিরিট ল্যাম্প, তারজালি, নাড়ানী।   কাজের ধাপঃ             ১. বিকারে লবণ ও বালু নিয়ে পরিমানমত পানি যোগ করে নাড়ানী দিয়ে নাড়তে থাকি। যাতে মিশ্রণ তৈরি হয়।             ২. ফিল্টার পেপার কোনক আকৃতির ভাঁজ দিয়ে ফানেলের মুখে লাগাই। এ ফানেল কনিক্যাল ফ্লাস্কের মুখে দিই          ...

অষ্টম শ্রেণির জ্যামিতি শিখন ( Geometry of Class 8)

            অষ্টম শ্রেণির জ্যামিতি শিখন  ( Geometry of Class 8) অধ্যায় ৮ অনুশীলনী ৮.১ JSC math chapter 8, exercise 8.1 Part 1(শ্রেণি ৮ম, গণিত, অধ্যায়- ৮.১, পর্ব- ১) JSC math chapter 8, exercise 8.1 Part 2(শ্রেণি ৮ম, গণিত, অধ্যায়- ৮.১, পর্ব- ২) JSC math chapter 8, exercise 8.1 Part 2(শ্রেণি ৮ম, গণিত, অধ্যায়- ৮.১, পর্ব- ৩) অধ্যায় ৯ অনুশীলনী ৯ পিথাগোরাসের উপপাদ্য JSC math, chater 9, Pithagorus theorem (জে.এস.সি গণিত, নবম অধ্যায়, পিথাগোরাসের উপপাদ্য) জে.এস.সি গণিত, নবম অধ্যায়, পিথাগোরাসের উপপাদ্য পাঠ২   জে.এস.সি গণিত, নবম অধ্যায়, পিথাগোরাসের উপপাদ্য পাঠ৩ জে.এস.সি গণিত, দশম অধ্যায়, বৃত্ত পাঠ১ জে.এস.সি গণিত, দশম অধ্যায়, বৃত্ত পাঠ২ জে.এস.সি গণিত, দশম অধ্যায়, বৃত্ত পাঠ৩

JSC math chapter 8, exercise 8.1 Part 1(শ্রেণি ৮ম, গণিত, অধ্যায়- ৮.১, প...

জাতি, জাতির জনক

বিবিসি বাংলার ২০০৪ সালে 'সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি' শিরোনামের জরিপে প্রথম অবস্থানে বাঙালিরা স্থান দেন প্রিয় নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাঁকুর। হাজার বছরের বাঙালির ইতিহাসে অনেক মহান ব্যক্তিরই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। জাতির ক্রমবিকাশ একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। তবে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতিকে বিশ্বদরবারে স্বাধীন জাতি, বীরের জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন। এজন্য বঙ্গবন্ধুকে বাঙালি 'জাতির জনক' বা পিতা বলা হয়। ছাত্রনেতা আ স ম আব্দুর রব ৩ মার্চ, ১৯৭১ সালে পল্টনের ময়দানে বঙ্গবন্ধুকে 'জাতির জনক' উপাধিতে ভূষিত করেন। সেই থেকে শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতির জনক বা পিতা। 'জাতির জনক' বা পিতা শব্দটিতে অনেকেরই ঘোর আপত্তি। অনেকেই শব্দটি ব্যবহার করতে নারাজ। অনেক কাঠমোল্লাই আবার এ বিষয় নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি করেছে বা করছে। অনেক শিক্ষিত ব্যক্তিও এই কাতারে আছেন। জাতির পিতা শব্দটি বুঝতে হলে আমাদের আগে 'জাতি' কি, তা বোঝা দরকার। জাতির ইংরেজি প্রতিশব্দ Nation শব্দটি ল্যাটিন Natio থেকে এসেছে। যার অর্থ জন্...

(a+b)2=a2+2ab+b2 সূত্রের জ্যামিতিক ব্যাখ্যা

(a+b) 2 =a 2 +2ab+b 2

সামাজিক দূরত্বে জ্যামিতিরপাঠ

বিশ্বব্যাপী মরণব্যাধি চরম সংক্রামক করোনা ভাইরাসের প্রকোপে মানুষ নাজেহাল। বহু মানুষের জীবন কেড়ে নিয়েছে, বহু মানুষ মৃত্যুর দ্বারপ্রান্ত থেকে ফিরে এসেছে। এখনো চলছে করোনার ভয়াল তান্ডব। দীর্ঘ ৬৬ দিন সাধারণ ছুটি আবরণে থাকা লকডাউন শর্তসাপেক্ষে সম্পূর্ণ তুলে দিয়েছে গত মাসে। সবকিছু খুলেও গেছে। চালু হতে শুরু করেছে মানুষের জীবিকার লড়াই। অথচ এমন এক সময় চালু হয়েছে, যখন বাংলাদেশে করোনার আক্রমণ শীর্ষে, বলা যায় করোনার পিক সিজন। তারপরও সবকিছু চালু হচ্ছে। চালু না করে উপায় নেই, মানুষের জীবন জীবিকার বিষয়। দুই মাসের এই বদ্ধ পরিস্থিতিতে সৃষ্ট চাল-তেল কেলেঙ্কারি, ত্রাণের জন্য রাস্তা অবরোধ প্রভৃতি থেকে বোঝা গেছে, মানুষকে ঘরে রেখে খাওয়ানোর সক্ষমতা সরকারের নেই। বাংলাদেশের মানুষও কর্মঠ। তারা সাহায্য চায়না, কাজ চায়। ফলে তারা জীবিকার স্বার্থেই বেরিয়ে পড়বে এটাই স্বাভাবিক। যেহেতু নিজেরা চালাতে পারছে না, কাজেই খুলে দেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ মনে করেছে সরকার। আসলেই তো বুদ্ধিমানের কাজ। জীবন অনেক সস্তা এদেশে । এই করোনা মহামারির সময়ও জীবন-জীবিকার তাগিদে মানুষকে চলতে হচ্ছে এবং চলতেও হবে। যথাযথ স্বাস্থ্যবিধ...