সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

নভেম্বর, ২০২০ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বহুভুজ, সুষম বহুভুজ এবং অনিয়মিত বহুভুজের ক্ষেত্রফল ও পরিসীমা নির্ণয়ঃ

  সুষম বহুভুজ এবং অনিয়মিত বহুভুজের ক্ষেত্রফল ও পরিসীমা নির্ণয়ঃ সুষম বহুভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ঃ অষ্টভুজের ক্ষেত্রফল যার কেন্দ্র হতে কৌণিক বিন্দুর দূরত্ব ৪ সে.মি. সমাধানঃ   কেন্দ্রে উৎপন্ন কোণ বের করে অন্তঃস্থ একটি ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল বের করে তার সাথে মোট ত্রিভুজ সংখ্যা যোগ করলেই ক্ষেত্রফল পাওয়া যাবে। সুষম বহুভুজের ক্ষেত্রফল= 8 *  ত্রিভুজ POQ অনিয়মিত বহুভুজের ক্ষেত্রফল ও পরিসীমা নির্ণয়ঃ সমাধানঃ          এ ধরনের চিত্রের ক্ষেত্রফল ও পরিসীমা নির্ণয় করতে সুবিধামত কিছু কৌণিকবিন্দু থেকে বিপরীত বাহুর উপর লম্ব আঁকতে হয়। যেমনঃ এর পর সহজেই বাহুর দৈর্ঘ্য নির্ণয় করা যায়। নমব শ্রেণির এসাইনমেন্ট ২ এর প্রশ্নঃ                                 সমাধান পেতে চাইলে ক্লিক

হাতে কলমে কাজের মাধ্যমে খাদ্য লবণ ও বালুর মিশ্রণ থেকে উপাদানসমূহ পৃথকীকরণ।

 ( একটি নমুণা মাত্র) পরীক্ষণঃ হাতে কলমে কাজের মাধ্যমে খাদ্য লবণ ও বালুর মিশ্রণ থেকে উপাদানসমূহ পৃথকীকরণ। তত্ত্বঃ বালু ও লবণ মিশ্রিত হয় না। তাই বালি ও লবণের সাথে পানি মিশ্রিত করে দ্রবণ তৈরি করতে হয়। যেহেতু বালি/বালু পানিতে দ্রবীভূত হয় না। তাই এ মিশ্রণ থেকে বালিকে আলাদা করতে পরিস্রাবণ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। খাদ্য লবণ সহজেই পানিতে দ্রবীভূত হয় । সুতরাং পরিস্রাবণের পর প্রাপ্ত দ্রবণ থেকে বাষ্পীভবন প্রক্রিয়ায় পানি থেকে লবণ পৃথক করা হয়।   প্রয়োজনীয় উপাদানঃ খাদ্য লবণ, বালু, পানি, ফানেল, ফিল্টার পেপার, কনিক্যাল ফ্লাস্ক, বিকার, ত্রিপদী স্ট্যান্ড, স্পিরিট ল্যাম্প, তারজালি, নাড়ানী।   কাজের ধাপঃ             ১. বিকারে লবণ ও বালু নিয়ে পরিমানমত পানি যোগ করে নাড়ানী দিয়ে নাড়তে থাকি। যাতে মিশ্রণ তৈরি হয়।             ২. ফিল্টার পেপার কোনক আকৃতির ভাঁজ দিয়ে ফানেলের মুখে লাগাই। এ ফানেল কনিক্যাল ফ্লাস্কের মুখে দিই          ...