সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

মজার সংখ্যা ৩৭০৩৭

মজার সংখ্যা ৩৭০৩৭ (পর্ব ১)

       যারা গণিত ভালোবাসে, সংখ্যা নিয়ে খেলে, তাঁদের কাছে অনেক সংখ্যাই বেশ মজার এবং আকর্ষণীয়। এমন কিছু সংখ্যা নিয়েই এ ধারাবাহিক লেখনি



    ধরুন, এমন একটি সংখ্যা যাকে প্রথমবার (১বার) ৩ দিয়ে গুণ করলে তাঁর অঙ্ক সংখ্যা হবে ৬টি ১, দ্বিতীয়বার (৩+৩) দুইটা তিনের সমষ্টি দ্বারা গুণ করলে ৬টি ২ এভাবে নয়বারই ৬টি করে তার বারের অঙ্ক পাওয়া যাবে। 

    এমনই একটি মজার সংখ্যা ৩৭০৩৭। কেননা, ৩৭০৩৭ কে যদি ৩ দিয়ে গুণ করা যায়, তাহলে ৬টি ১ পাওয়া যাবে। শুধু তাই নয়, ৩ এর গুণিতক দ্বারা গুণ করা হলেও ৬টি ২, ৬টি ৩ ইত্যাদি পর্যায়ক্রমে পাওয়া যাবে।

৩৭০৩৭✖✖১= ১১১১১১, (✖১=৩; ৩ এর গুণিতক), ১ম বার

৩৭০৩৭✖৩✖২= ২২২২২২, (✖২=৬; ৩ এর গুণিতক), ২য় বার

৩৭০৩৭✖৩✖৩= ৩৩৩৩৩৩, (✖৩=৯; ৩ এর গুণিতক)৩য় বার

৩৭০৩৭✖৩✖৪= ৪৪৪৪৪৪, (✖৪=১২; ৩ এর গুণিতক)৪র্থ বার

৩৭০৩৭✖৩✖৫= ৫৫৫৫৫৫, (✖৫=১৫; ৩ এর গুণিতক),  ৫ম বার

৩৭০৩৭✖৩✖৬= ৬৬৬৬৬৬, (✖৬=১৮; ৩ এর গুণিতক), ৬ষ্ঠ বার

৩৭০৩৭✖৩✖৭= ৭৭৭৭৭৭ , (✖৭=২১; ৩ এর গুণিতক), ৭ম বার

৩৭০৩৭✖৩✖৮= ৮৮৮৮৮৮, (✖৮=২৪; ৩ এর গুণিতক), ৮ম বার

৩৭০৩৭✖৩✖৯= ৯৯৯৯৯৯, (✖৯=২৭; ৩ এর গুণিতক), ৯ম বার

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

হাতে কলমে কাজের মাধ্যমে খাদ্য লবণ ও বালুর মিশ্রণ থেকে উপাদানসমূহ পৃথকীকরণ।

 ( একটি নমুণা মাত্র) পরীক্ষণঃ হাতে কলমে কাজের মাধ্যমে খাদ্য লবণ ও বালুর মিশ্রণ থেকে উপাদানসমূহ পৃথকীকরণ। তত্ত্বঃ বালু ও লবণ মিশ্রিত হয় না। তাই বালি ও লবণের সাথে পানি মিশ্রিত করে দ্রবণ তৈরি করতে হয়। যেহেতু বালি/বালু পানিতে দ্রবীভূত হয় না। তাই এ মিশ্রণ থেকে বালিকে আলাদা করতে পরিস্রাবণ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। খাদ্য লবণ সহজেই পানিতে দ্রবীভূত হয় । সুতরাং পরিস্রাবণের পর প্রাপ্ত দ্রবণ থেকে বাষ্পীভবন প্রক্রিয়ায় পানি থেকে লবণ পৃথক করা হয়।   প্রয়োজনীয় উপাদানঃ খাদ্য লবণ, বালু, পানি, ফানেল, ফিল্টার পেপার, কনিক্যাল ফ্লাস্ক, বিকার, ত্রিপদী স্ট্যান্ড, স্পিরিট ল্যাম্প, তারজালি, নাড়ানী।   কাজের ধাপঃ             ১. বিকারে লবণ ও বালু নিয়ে পরিমানমত পানি যোগ করে নাড়ানী দিয়ে নাড়তে থাকি। যাতে মিশ্রণ তৈরি হয়।             ২. ফিল্টার পেপার কোনক আকৃতির ভাঁজ দিয়ে ফানেলের মুখে লাগাই। এ ফানেল কনিক্যাল ফ্লাস্কের মুখে দিই          ...

ভালোবাসায় ভালোলাগার গণিত

ভালোবাসায় ভালোলাগার গণিত প্রেমের প্রতীক বা ভালোবাসার প্রতীক হচ্ছে ❤ বা heart shape. যদিও বিজ্ঞানে মন বলতে কিছুই নেই। মস্তিষ্কের রাসায়নিক বিক্রিয়ায় উৎপন্ন ইলেকট্রনের স্পন্দনই মানুষের আবেগ, অনুভূতি, চিন্তার উৎস। তারপরেও মানুষ মন বা হৃদয়কেই আবেগ-অনুভূতির উৎস ভেবে নেয়। সাধারণত হৃদয় বা হার্ট বলতে আমরা বুঝি আমাদের হার্ট বা হৃদপিণ্ডকে। ভালবাসার নিদর্শন স্বরূপ যে চিহ্ন তা ♥। তবে কি আসলেই মানুষের হার্ট দেখতে এমন? এক সময় গ্রিক-রোমান চিন্তাবিদগণ মনে করতেন, মানুষের হৃদয় দেখতে ❤ বা লাভ চিহ্ন এর মত। কিন্তু তা মোটেই না। হার্ট শেপ এর প্রচলন কিভাবে হয়, তা গুগোল এ সার্চ দিলেই পাওয়া যাবে। আমরা এই ❤ বা হার্টশেপের গণিত নিয়ে আলোচনা করব। নিম্নোক্ত উপায়ে আমরা গাণিতিকভাবে ❤ পেতে পারি ঘূর্ণায়মান বৃত্ত বা বলের সাহায্যে: বহিঃস্পর্শ করে এমন দুটি সমান ব্যাসার্ধের বৃত্তের একটি স্থির রেখে অন্যটিকে চারদিকে ঘুরিয়ে আনলে যে ক্ষেত্র হয়, তাকে গণিতের ভাষায় কার্ডিয়ড বলে যা অনেকটা হার্ট শেপ এর মত। (চিত্র দ্রষ্টব্য) গুণের নামতা সাহায্যে একটি বৃত্তকে সমান দুভাগে ভাগ করে পাই ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬,...

এস. এস.সি জীববিজ্ঞান প্রশ্ন দিনাজপুর বোর্ড-২০২১

 এস. এস.সি পদার্থ বিজ্ঞান প্রশ্ন দিনাজপুর বোর্ড-২০২১ ১.৩০ মিনিটের পরীক্ষা। বহুনির্বাচনী ২৫টি হতে ১২ টি। (সময়ঃ ১৫ মিনিট) সৃজনশীল ৮টি হতে ২ টি। (সময়ঃ ১ ঘন্টা ১৫ মিনিট)